Biplab Bhattacharya shared his post.
"Give the devil his due."
"The devil sick would be a monk."
অনেকদিন আগে পড়া এই বুলি বা প্রবাদ দু'টি দিনকয়েক ধরেই মাথায় ঘুরছে...
পার্ক স্ট্রীট, কামদুনি, কৃষ্ণগঞ্জ - আসামীরা দোষী সাব্যস্ত হয়ে শাস্তি পেয়েছে.... মমতা ব্যানার্জী, স্বরাষ্ট্র দফতর তথা রাজ্য সরকারকে এবং অবশ্যই নাছোড়বান্দা মিডিয়া ও প্রতিবাদী গন্কন্ঠকে ধন্যবাদ....এই লড়াইয়ের স্বীকৃতি সবারই প্রাপ্য.... জানি, আমার অনেক সাথীই রে রে করে উঠবেন, হয়তো অনেক সমালোচনাও শুনতে হবে....তবুও যা ঠিক মনে করেছি তা বলাটা সমীচীন হবে বলেই বিশ্বাস করি....শাস্তি দিতে না-পারাটা যদি সরকারের ব্যর্থতা হয়, তাহলে শাস্তিবিধানের ব্যবস্থার পুরস্কারে তারও ভাগ থাকা উচিৎ বলেই মনে করি....কাজটা এখনো শেষ হয়নি; পার্কস্ট্রীট ও কৃষ্ণগঞ্জের দুই মূল অপরাধী এখনো অধরা, তাদেরকে ধরে এনে আইনের কাঠগড়ায় না ওঠাতে পারলে পুরো প্রক্রিয়াটি অসমাপ্ত রয়ে যাবে...কাটোয়া, ধুপগুড়ি, কাকদ্বীপ, ভাঙর......সন্তানহারা মায়েরা এখনো অপেক্ষায়; মানুষ সবকিছুই নজর রাখছে...দায় কিন্তু সেই সরকারেরই....
কিন্তু গোল বেধেছে ওই দ্বিতীয় প্রবাদে....
আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর মতো আমিও খানিকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছি... হঠাৎ করে সরকার, পুলিশ এবং সরকারী আইনজীবিদের এই ধরণের প্ররোচক ভূমিকা, সমস্ত ব্যাপারটাই আবার করে ভাবতে বাধ্য করছে...বেশ কতগুলো ঘটনা একের পর এক ঘটে চলেছে এবং উপরোক্ত ঘটনাসমূহ সমেত সবগুলিই খুবই মনোযোগ আকর্ষণকারী...সবগুলোই কেমন যেন একই সুতোয় বাঁধা এবং সুচারুভাবে পরিকল্পিত বলে প্রতিভাত হচ্ছে....সামনেই বিধানসভা নির্বাচন এবং আজকে তাই শাসক বা বিরোধী- সবারই পরিকল্পনা ও কর্মকান্ড, যার যার নিজ নিজ চাহিদা অনুযায়ী, মূলত:ই একই অভিমুখে পরিচালিত হচ্ছে....তাই শাসকের এই অত্যুৎসাহ মনের কোণে সন্দেহের ধুম উদগীরণ করে চলেছে....হয়তো নির্বাচনোত্তরকালে অন্য দৃশ্যই দেখতে হবে....যদি আবারও কোনভাবে ক্ষমতায় আজকের শাসকদল ফিরতে পারে, তাহলে হয়তো সরকারের এই "অতি" উৎসাহ জনগণের বিরুদ্ধেই আবার কর্যকরী হবে.....নাহলে, কালকের "ছোট্ট ঘটনা", "সাজানো ঘটনা", "দুষ্টু ছেলেদের দুষ্টুমি" ইত্যাদি বুলি'র মালকিন আজ একেবারে চুপ হয়ে গেলেন কেন, ভাবতেই হচ্ছে.....
Gameplan টা একটু পরিষ্কার হচ্ছে....
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে, কংগ্রেস-বাম ঐক্যের সম্ভাবনা (যদিও এখনো অনেক ifs & buts আছে); অঙ্ক ও সম্ভাবনার নিরিখে শাসকদলকে এক ব্যাপক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারে.....লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত বিজেপি'র ১৭.০২% ভোটের অনেকটাই বামেরা নিজেদের দিকে টেনে নেবে বলে মনে হচ্ছে...এমতাবস্থায় তৃণমূলের মূল চিন্তা হলো, যেনতেন প্রকারেণ বিজেপি'র ভোটের শতাংশকে বাঁচিয়ে রাখা, কারণ সেটাই একমাত্র TMC'র ক্ষমতায় ফেরার চাবিকাঠি হতে পারে....তাই হঠাৎ বিজেপি'র "বিপ্লবী" হয়ে ওঠা, TMC-BJP'র যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বা আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেট অধিবেশনে কিছু "ধুন্ধুমার" কর্মকান্ড ঘটা - সবকিছুরই লক্ষ্য একটাই; যেভাবেই হোক বিজেপি'র ভোট ধরে রাখাটা নিশ্চিত করা, যাতে তৃণমূলের জেতার পথ সুগম হয়.....তাই সতর্ক থাকা যাক....
বাংলার মানুষ তথা বামপন্থীদের সামনে দুটি দায়িত্ব: একদিকে এই সরকার এবং তার প্রধান দলের অপশাসন থেকে বাংলাকে মুক্ত করা আর দ্বিতীয়টি হোলো; বিজেপি'কে রাজনৈতিক ও মতাদর্শগতভাবে পরাজিত করা....
সিদ্ধান্তহীনতা কিন্তু ইতিহাস ক্ষমা করেনা এবং আগামীতেও করবেনা....
পার্ক স্ট্রীট, কামদুনি, কৃষ্ণগঞ্জ - আসামীরা দোষী সাব্যস্ত হয়ে শাস্তি পেয়েছে.... মমতা ব্যানার্জী, স্বরাষ্ট্র দফতর তথা রাজ্য সরকারকে এবং অবশ্যই নাছোড়বান্দা মিডিয়া ও প্রতিবাদী গন্কন্ঠকে ধন্যবাদ....এই লড়াইয়ের স্বীকৃতি সবারই প্রাপ্য.... জানি, আমার অনেক সাথীই রে রে করে উঠবেন, হয়তো অনেক সমালোচনাও শুনতে হবে....তবুও যা ঠিক মনে করেছি তা বলাটা সমীচীন হবে বলেই বিশ্বাস করি....শাস্তি দিতে না-পারাটা যদি সরকারের ব্যর্থতা হয়, তাহলে শাস্তিবিধানের ব্যবস্থার পুরস্কারে তারও ভাগ থাকা উচিৎ বলেই মনে করি....কাজটা এখনো শেষ হয়নি; পার্কস্ট্রীট ও কৃষ্ণগঞ্জের দুই মূল অপরাধী এখনো অধরা, তাদেরকে ধরে এনে আইনের কাঠগড়ায় না ওঠাতে পারলে পুরো প্রক্রিয়াটি অসমাপ্ত রয়ে যাবে...কাটোয়া, ধুপগুড়ি, কাকদ্বীপ, ভাঙর......সন্তানহারা মায়েরা এখনো অপেক্ষায়; মানুষ সবকিছুই নজর রাখছে...দায় কিন্তু সেই সরকারেরই....
কিন্তু গোল বেধেছে ওই দ্বিতীয় প্রবাদে....
আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর মতো আমিও খানিকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছি... হঠাৎ করে সরকার, পুলিশ এবং সরকারী আইনজীবিদের এই ধরণের প্ররোচক ভূমিকা, সমস্ত ব্যাপারটাই আবার করে ভাবতে বাধ্য করছে...বেশ কতগুলো ঘটনা একের পর এক ঘটে চলেছে এবং উপরোক্ত ঘটনাসমূহ সমেত সবগুলিই খুবই মনোযোগ আকর্ষণকারী...সবগুলোই কেমন যেন একই সুতোয় বাঁধা এবং সুচারুভাবে পরিকল্পিত বলে প্রতিভাত হচ্ছে....সামনেই বিধানসভা নির্বাচন এবং আজকে তাই শাসক বা বিরোধী- সবারই পরিকল্পনা ও কর্মকান্ড, যার যার নিজ নিজ চাহিদা অনুযায়ী, মূলত:ই একই অভিমুখে পরিচালিত হচ্ছে....তাই শাসকের এই অত্যুৎসাহ মনের কোণে সন্দেহের ধুম উদগীরণ করে চলেছে....হয়তো নির্বাচনোত্তরকালে অন্য দৃশ্যই দেখতে হবে....যদি আবারও কোনভাবে ক্ষমতায় আজকের শাসকদল ফিরতে পারে, তাহলে হয়তো সরকারের এই "অতি" উৎসাহ জনগণের বিরুদ্ধেই আবার কর্যকরী হবে.....নাহলে, কালকের "ছোট্ট ঘটনা", "সাজানো ঘটনা", "দুষ্টু ছেলেদের দুষ্টুমি" ইত্যাদি বুলি'র মালকিন আজ একেবারে চুপ হয়ে গেলেন কেন, ভাবতেই হচ্ছে.....
Gameplan টা একটু পরিষ্কার হচ্ছে....
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে, কংগ্রেস-বাম ঐক্যের সম্ভাবনা (যদিও এখনো অনেক ifs & buts আছে); অঙ্ক ও সম্ভাবনার নিরিখে শাসকদলকে এক ব্যাপক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারে.....লোকসভা নির্বাচনে প্রাপ্ত বিজেপি'র ১৭.০২% ভোটের অনেকটাই বামেরা নিজেদের দিকে টেনে নেবে বলে মনে হচ্ছে...এমতাবস্থায় তৃণমূলের মূল চিন্তা হলো, যেনতেন প্রকারেণ বিজেপি'র ভোটের শতাংশকে বাঁচিয়ে রাখা, কারণ সেটাই একমাত্র TMC'র ক্ষমতায় ফেরার চাবিকাঠি হতে পারে....তাই হঠাৎ বিজেপি'র "বিপ্লবী" হয়ে ওঠা, TMC-BJP'র যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বা আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেট অধিবেশনে কিছু "ধুন্ধুমার" কর্মকান্ড ঘটা - সবকিছুরই লক্ষ্য একটাই; যেভাবেই হোক বিজেপি'র ভোট ধরে রাখাটা নিশ্চিত করা, যাতে তৃণমূলের জেতার পথ সুগম হয়.....তাই সতর্ক থাকা যাক....
বাংলার মানুষ তথা বামপন্থীদের সামনে দুটি দায়িত্ব: একদিকে এই সরকার এবং তার প্রধান দলের অপশাসন থেকে বাংলাকে মুক্ত করা আর দ্বিতীয়টি হোলো; বিজেপি'কে রাজনৈতিক ও মতাদর্শগতভাবে পরাজিত করা....
সিদ্ধান্তহীনতা কিন্তু ইতিহাস ক্ষমা করেনা এবং আগামীতেও করবেনা....
পুন: যে কারণে ইয়াকুব মেমন-এর মৃত্যুদণ্ডের বিরোধীতা করেছিলাম, সেই একই কারণে কামদুনি কান্ডের তিনজনের এবং কৃষ্ণগঞ্জের ১১ জনের (!!!) মৃত্যুদন্ডেরও বিরোধীতা করছি.....

No comments:
Post a Comment