রাত দুপুরে আজাদি,ধন্যবাদ জেএনউ!
বাবাসাহেবের মিশন সমাজ বিপ্লব এবং ভারতীয় সাম্যবাদী আন্দোলনের নবজন্ম,ধন্যবাদ!
জয় হোক আমার দেশের!! জয় হোক গনতন্ত্রের!! জয় হোক খেটে খাওয়া মানুষের!!
কমরেড কানাইয়া কুমার এর বেল পাওয়ার পর থেকে শুরু হয়ে গেল আমার দেশের শিয়াল-কুকুর দের চিৎকার। রভিজোত সিং ছেড়ে ফেললেন অন্তজালে তাঁর মহা মূল্যবান ভাষণ, কিছু মানুষ লিখে ফেললেন ফেসবুক ও টুইটারে তাদের মহান দেশভক্তি।
হে কানাইয়া কুমার এখনো একজন ছাত্র, দেশের মানুষের ট্যাক্স থেকে সরকার তাঁর পড়ার কিছু খরচা তাকে দিয়ে থাকে। একটা ২৮ বছরের ছেলের পড়ার কিছু খরচা সরকার দিচ্ছে বলে আপনাদের গায়ে ফস্কা পড়ছে, রাগ হচ্ছে! কত ছেলে টাকার অভাবে ক্লাস ৮ পর্যন্ত পড়তে পারে না সে খবর রাখেন?? তখন প্রশ্ন করেন আপনি ট্যাক্স দিচ্ছেন তবু কেন তারা শিক্ষা পাচ্ছে না ? খুব ভয় লাগে বলুন গরীবদের শিক্ষিত দেখে, খুব ভয় লাগে বলুন যখন তারা শিক্ষিত হয়ে চিনে নেই আপনাদের মুখোশের আড়ালের মুখটাকে। তাহলে একটা কথা বলি কোথায় থাকে আপনাদের রাগ,আপনাদের দেশ ভক্তি, যখন আপনাদের ট্যাক্স এর কোটি কোটি কোটি... টাকা যখন কিছু নেতা, বনিক ও দাদালরা মিলে হজম করে, নিজেরা সুখ ভোগ করে, ও অন্য দেশে পাঠিয়ে দেয়?
শীততাপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি-বাড়িতে বসে দেশ ভক্তির ভাষণ দিতে খুব মজা লাগে না?
আর কথা বলছেন দেশের সেনাদের নিয়ে...! বলতে পারবেন আজ পর্যন্ত কতগুলি বড় নেতার বা বড় বনিকের ছেলে মেয়েরা সেনাবাহিনিতে যোগ দিয়ে আত্মবলিদান দিয়েছে? সেনাবাহিনির সব ছেলে মেয়েরা আসে সাধারন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে। ভেবে দেখেন কখনো যে একটা বর্ডারে দাঁড়িয়ে থাকা সেনা ও পার্লামেন্টের গোয়াল ঘরের গরুর বেতনের ও সুবিধার অন্তর কত? একটা মূর্খ মন্ত্রী যখন ভরা দুপুরে A.C গাড়িতে করে দেশ ধ্বংস করতে যায় তখন রাস্তাতে দাঁড়িয়ে একটা হাবলদার কতটা কষ্টে তাঁর কাজ করে, আর বেতনটা কে বেশি পাই মশাই? আমার অনেক বন্ধু সেনাবাহিনিতে চাকরিরত আমি জানি তারা সকলে কত কষ্ট করে কত ঘামঝরিয়ে চাকরি পেয়ে দেশের সেবা করছে, আর তাদের বাবারা কেউ কাঠমিস্ত্রি, কারোর ফলের দকান,কেউ মাছচাষ করেন। তাই দয়া করে সেনাবাহিনিতে থাকা মানুষজন দের সাথে নিজেদের দেশ ভক্তির তুলনা করবেন না! দেশের সাধারন মানুষ জানে কারা সেনাবাহিনির ব্যাবহার করে আর কারা সত্যি তাঁদের সম্মানদেয়।
আর কথা বলছেন দেশের সেনাদের নিয়ে...! বলতে পারবেন আজ পর্যন্ত কতগুলি বড় নেতার বা বড় বনিকের ছেলে মেয়েরা সেনাবাহিনিতে যোগ দিয়ে আত্মবলিদান দিয়েছে? সেনাবাহিনির সব ছেলে মেয়েরা আসে সাধারন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে। ভেবে দেখেন কখনো যে একটা বর্ডারে দাঁড়িয়ে থাকা সেনা ও পার্লামেন্টের গোয়াল ঘরের গরুর বেতনের ও সুবিধার অন্তর কত? একটা মূর্খ মন্ত্রী যখন ভরা দুপুরে A.C গাড়িতে করে দেশ ধ্বংস করতে যায় তখন রাস্তাতে দাঁড়িয়ে একটা হাবলদার কতটা কষ্টে তাঁর কাজ করে, আর বেতনটা কে বেশি পাই মশাই? আমার অনেক বন্ধু সেনাবাহিনিতে চাকরিরত আমি জানি তারা সকলে কত কষ্ট করে কত ঘামঝরিয়ে চাকরি পেয়ে দেশের সেবা করছে, আর তাদের বাবারা কেউ কাঠমিস্ত্রি, কারোর ফলের দকান,কেউ মাছচাষ করেন। তাই দয়া করে সেনাবাহিনিতে থাকা মানুষজন দের সাথে নিজেদের দেশ ভক্তির তুলনা করবেন না! দেশের সাধারন মানুষ জানে কারা সেনাবাহিনির ব্যাবহার করে আর কারা সত্যি তাঁদের সম্মানদেয়।
আর কথা আসে "লাল সেলাম" এর, সেখানেই ভুল করে ফেলে আমার দেশের জনগন। লাল সেলাম শুনলে তাদের মাথায় আসে CPI(M), ৩৪ বছরের একটা সরকার। লাল সেলাম কোন পার্টির নিজস্ব সম্পত্তি নই। লাল সেলাম হোল দেশের গরীব খেটে খাওয়া মানুষ এর মুক্তির চিৎকার, গনতন্ত্র কায়েমের পথ, ক্রান্তির শুভেচ্ছা। তাই দয়া করে "লাল সেলাম" জায়গাটাই ৩৪ বছরের সরকার ও স্বাধীন ছাত্রছাত্রী আন্দোলনকে এক করবেন না।
আমাদের লজ্জা করা উচিৎ যে আমাদের দেশ চালাচ্ছে একজন ৮ পাশ মানুষ, বেঁচে দিচ্ছে দেশ, সব শিক্ষিত সরকারি চাকুরীজীবীদের কথা শুনে চলতে হচ্ছে মূর্খ নেতাদের, ধর্মের নামে ভেঙ্গেফেলছে দেশের একতা, বাড়াচ্ছে বেকারত্ব, দিয়ে যাচ্ছে মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ভাষণ। আর আপনারা কিনা সেই মানুষটার সাথ দিচ্ছেন!! আর যেসব স্বাধীন ছাত্রছাত্রী সত্যি দেশের গণতন্ত্রের কথা ভাবছে তাদের করে দিচ্ছেন দেশদ্রোহী!!
আবেগে আর কতকাল ভাসবেন?? প্রমান হোলতো ভি ডি ও টা নকল ছিল! কবে এইদেশে সকল শিক্ষিত মানুষ একসাথে তাঁর সঠিক শিক্ষার সৎ ব্যাবহার করবে বলতে পারেন? জেনে রাখুন এই বুড়ো খচ্চর গুলো কে না তাড়ালে দেশ বাঁচানো যাবে না, খেটে খাওয়া মানুষ, রোজকার ঘামঝরানো মানুষ, যুব সমাজ, শিক্ষিত ছাত্রছাত্রী, সমাজ প্রেমী, সৃজনশীল মানুষের হাতে ক্ষমতা না তুলে দিলে এই দেশ বাঁচানো যাবে না। আর এইভাবেই চলতে থাকলে একদিন ফেসবুক, টুইটার বা অন্তরজালে দেশপ্রেম দেখানোর জায়গাটাও থাকবে না।
দেশের নিজেদের মানুষের সাথে নিজের মানুষের যুদ্ধ লাগিয়ে যেসব মানুষ রাজনীতির মসনদে বসে থাকে, কত কাল আর তাদের পা চেটে বসে থাকবেন???
মৃত ভারতের বাস্তুভিটেতে বাড়ছে আস্তিনের সাপ;
মগজের কম্পাসের কাঁটা স্বাধীনতার দিকে গেছে ঢলে;
চোখের লবণাক্ত জলবায়ু নোনা ধরিয়েছে জরায়ুতে;
অনেকেই বলে আমার দেশে নাকি বিপ্লব বিপ্লব খেলা চলে...!
মগজের কম্পাসের কাঁটা স্বাধীনতার দিকে গেছে ঢলে;
চোখের লবণাক্ত জলবায়ু নোনা ধরিয়েছে জরায়ুতে;
অনেকেই বলে আমার দেশে নাকি বিপ্লব বিপ্লব খেলা চলে...!
খেলায় খেলায় কেটেছে বেলা, এদেশে নেমেছে রাত অনেক আগে;
বহু ক্যাম্পাসে দেখো নিশাচর হয়ে, কত কত স্বপ্ন আছে জেগে;
কানাইয়া এসেছে ফিরে, একে একে আসবে ফিরে সব সাথী;
কৃষক-শ্রমিক- ছাত্রছাত্রী " ছিন কে লেগা আজাদি"...!!
বহু ক্যাম্পাসে দেখো নিশাচর হয়ে, কত কত স্বপ্ন আছে জেগে;
কানাইয়া এসেছে ফিরে, একে একে আসবে ফিরে সব সাথী;
কৃষক-শ্রমিক- ছাত্রছাত্রী " ছিন কে লেগা আজাদি"...!!
গভীর রাতে চাঁদে চড়ে যদি ঘরে না ফেরে প্রিয়তমা;
সোনালি ধানের ক্ষেতে আর কাস্তে চালাব না;
সবকটা কাস্তের ধার দেব শত্রুর গলায় ঢেলে;
এদেশের বুকে "বর্ণ ভেদ - জাতি ভেদ" আর রাখব না...!!!
সোনালি ধানের ক্ষেতে আর কাস্তে চালাব না;
সবকটা কাস্তের ধার দেব শত্রুর গলায় ঢেলে;
এদেশের বুকে "বর্ণ ভেদ - জাতি ভেদ" আর রাখব না...!!!
No comments:
Post a Comment