| মন দিয়ে পড়লাম । ইনি নিজেই লিখেছেন বিজ্ঞানের নাম নিয়ে ডারুইন তত্ত্বকে ব্যবহার করে কী ভাবে এককালে ইউরোপ শ্রেষ্ঠ ধারনাকে গড়ে তোলা হয়েছিল। সেসব তো আমরা জানি। ডারউইন সঠিক। কিন্তু এরা তার সিদ্ধান্তের ব্যবহার করেছিলেন ভুল পথে এবং ভাবে। আমরা ম্যাক্সমূললের ইস্ট ইণ্ডিয়ার টাকাতে প্রাচ্যতত্ত্ব দাঁর করাবার কথাও জানি। কিন্তু শেষমেষ তিনি কী করলেন? জিন তত্ত্ব হাতিয়ার করে আর্যরা ভারতীয়। শুধু তাই নয় এক বুদ্ধিমান সভ্যতার ধারক ভারতীয়। বিবেকানন্দকে বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তের ধারক দাঁড় করিয়ে দিলেন। জিন তত্ত্বের বিশ্বাস যোগ্যতা নিয়ে বলতে গেলে যখন বাকিদের কথা বললেন, ততক্ষণ তাদের বাকি ইতিহাস এমন কি পুরাকথাও সঠিক। ভারতে আসতেই বাকি সব ইতিহাস মিথ্যে হয়ে গেল! এক সুচতুর চালাকি আছে এতে। বিজ্ঞানের মোড়কে। 'বিজ্ঞান' কথাটার বিজ্ঞাপন দেবেন বলেই শিরোনামে কথাটি রয়েছে। এমন অদ্ভূৎ শিরোনাম আমরা বিপরীত সমাজ বিজ্ঞানে পাই নি। অন্তত রমিলা থাপারেরা বিজ্ঞান অনুসরণ করেও এমন বাল্যখিল্য শিরোনাম দেবেন না। আর্য এক নৃগোষ্ঠী নয়, ভাষা গোষ্ঠী এসব আমাদের জানা। কিন্তু তারা প্রব্রজন করে নি, এখান থেকে বাকি দুনিয়াতে গেছে। এসব প্রমাণ করতে গেলে বাকি ইতিহাসের আরো বহু কিছু খণ্ডন করতে হবে! বিশেষ করে জেন্দ আবেস্তা আর ইরান সম্পর্কে কথা বলতে হবে।খেলাল করে দেখুন, উত্তর পশ্চিম ভারতেই আর্য সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল, দক্ষিণে বা পূবে নয়---এই তত্ত্বকে তিনিও দাঁড় করাচ্ছেন । কেমন হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্তান তত্ত্বে খাব খেয়ে যায় না? আর ঐ যে একেবারে শেষ কথা---উচ্চবর্ণ নিম্ন বর্ণ, জাতি জনজাতি। এই সব কথা মানতে গেলে--শুধু ভারতেই কেন সারা পূব এশিয়ার সব মোঙ্গলরাও আর্য হয়ে যাবেন কিন্তু! সুতরাং ভোকাট্টা! :) |
 |
আর্যরা ভারতবর্ষে কবে এসেছিলো ? কারা আর্য ? এটা সত্য, না কল্পকাহিনি ? সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে একটি
|
|
|
No comments:
Post a Comment